আজ জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন-দোহারের সংবাদ – দোহারের সংবাদ
  1. admin@doharersongbad.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ০৪:৫৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় সংগীতশিল্পী পাগল হাসান নিহত-দোহারের সংবাদ সাভারে কাপড়ের দোকানে এসি বিস্ফোরণ, দগ্ধ ২-দোহারের সংবাদ ফরিদপুরে বাস ও পিকআপ সংঘর্ষে ১১ জন নিহত-দোহারের সংবাদ দোহারে রাতের আধারে বসতঘরে দুর্বৃত্তদের আগুন,১২ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই-দোহারের সংবাদ শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেছে আগামীকাল ঈদ-দোহারের সংবাদ নবাবগঞ্জে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার-দোহারের সংবাদ ঈদের তারিখ ঘোষণা করলো সৌদি আরব-দোহারের সংবাদ তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মারামারী,আহত ৭-দোহারের সংবাদ দোহারে এসএসসি-৯৫ ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থী, বন্ধুদের নিয়ে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত-দোহারের সংবাদ গরমের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে দোহার ও নবাবগঞ্জে লোডশেডিং-দোহারের সংবাদ

আজ জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন-দোহারের সংবাদ

দোহারের সংবাদ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : রবিবার, ১৭ মার্চ, ২০২৪
  • ৫৭ বার পঠিত

শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালির কাছে জাতির পিতা ও বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি হলেও তিনি দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। ভারত বিভাজন আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ থেকে শুরু করে পরবর্তীকালে পূর্ব পাকিস্তানকে স্বাধীন দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে কেন্দ্রীয়ভাবে নেতৃত্ব প্রদান করেন। শুরুতে তিনি আওয়ামী লীগের সভাপতি, এরপর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী এবং পরবর্তীকালে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।

১৯২০ সালের ১৭ মার্চ তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির অন্তর্ভুক্ত ফরিদপুর জেলার গোপালগঞ্জ মহকুমার পাটগাতি ইউনিয়নের বাইগার নদী তীরবর্তী টুঙ্গিপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা শেখ লুৎফুর রহমান গোপালগঞ্জ দায়রা আদালতের সেরেস্তাদার বা হিসাব সংরক্ষণকারী ছিলেন এবং তার মা সায়েরা খাতুন। চার কন্যা এবং দুই পুত্রের মধ্যে তিনি ছিলেন তৃতীয়।১৯২৭ সালের সাত বছর বয়সে শেখ মুজিব গিমাডাঙ্গা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াশোনা শুরু করেন। ১৯৪৪ সালে শেখ মুজিব কলকাতার ইসলামিয়া কলেজ (বর্তমান নাম মৌলানা আজাদ কলেজ) থেকে আই.এ. এবং ১৯৪৭ সালে ইতিহাস ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।

শেখ মুজিবের রাজনৈতিক জীবনের সূচনা ঘটেছিল ১৯৩৯ সালে মিশনারি স্কুলে পড়ার সময় থেকে। ওই বছরই বিদ্যালয় পরিদর্শনে আসেন তদানীন্তন বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির মুখ্যমন্ত্রী শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক এবং খাদ্যমন্ত্রী ও পরবর্তীকালে বাংলা প্রদেশ ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনকারী হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী। ওই সময় বিদ্যালয়ের ছাদ সংস্কারের দাবি নিয়ে একটি দল তাদের কাছে যায়। দলটির নেতৃত্ব দিয়েছিলেন শেখ মুজিব।ব্যক্তিগত রেষারেষির জেরে ১৯৩৮ সালে শেখ মুজিবুর রহমানকে প্রথমবারের মতো গ্রেফতার করা হয়। ৭ দিন হাজতবাস করার পর তিনি ছাড়া পান। ১৯৩৯ সালে তিনি গোপালগঞ্জ মহকুমা মুসলিম ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সেক্রেটারি এবং মহকুমা মুসলিম লীগের ডিফেন্স কমিটির সেক্রেটারি নির্বাচিত হন। ১৯৪০ সালে নিখিল ভারত মুসলিম ছাত্র ফেডারেশনে যোগ দেন। এ সময়ে তিনি এক বছর মেয়াদের জন্য নিখিল বঙ্গ মুসলিম ছাত্রলীগের কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। ১৯৪১ সালে ফরিদপুর জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলনে কাজী নজরুল ইসলাম, হুমায়ুন কবির, প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ প্রমুখ যোগদান করেন। শেখ মুজিব এই সম্মেলনের অন্যতম আয়োজক ছিলেন।১৯৪০ সালে লাহোর প্রস্তাব উত্থাপনের পর মুসলিম লীগ পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার জন্য মাঠে নেমে পড়ে। মুসলিম লীগের তরুণ ছাত্রনেতা শেখ মুজিব এ সময় পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে নিজেকে যুক্ত করেছিলেন। পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক স্বায়ত্তশাসন অর্জনের প্রয়াস এবং ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলন ও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পেছনের কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে শেখ মুজিবুর রহমানকে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হিসেবে কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে বাংলাদেশের ‘জাতির জনক’ বা ‘জাতির পিতা’ হিসেবে অভিহিত করা হয়। এছাড়াও তাকে প্রাচীন বাঙালি সভ্যতার আধুনিক স্থপতি ও সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। জনসাধারণের কাছে তিনি ‘শেখ মুজিব’ বা ‘শেখ সাহেব’ নামে এবং তার উপাধি ‘বঙ্গবন্ধু’ হিসেবেই অধিক পরিচিত।বিশ্ব শান্তি পরিষদ শেখ মুজিবুর রহমানকে জুলিও ক্যুরি শান্তি পুরস্কারে ভূষিত করে। এছাড়াও পেয়েছেন স্বাধীনতা পুরস্কার, গান্ধী শান্তি পুরস্কার। ১৯৬৯ সালে তোফায়েল আহমেদ শেখ মুজিবকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করেন। আ. স. ম. আবদুর রব ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘জাতির জনক’ হিসেবে উল্লেখ করেন। ১৯৭১ সালের ৫ এপ্রিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউজউইক পত্রিকা বঙ্গবন্ধুকে ‘রাজনীতির কবি’ বলে আখ্যায়িত করে। কিউবার নেতা ফিদেল কাস্ত্রো ১৯৭৩ সালের জোট-নিরপেক্ষ সম্মেলনে শেখ মুজিবের ব্যক্তিত্বকে হিমালয় পর্বতমালার সঙ্গে তুলনা করেন।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে একদল ঘাতক সেনার হাতে নিহত হন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা