মহাকবি কায়কোবাদের আজ ১৬৭তম জন্মদিন-দোহারের সংবাদ – দোহারের সংবাদ
  1. admin@doharersongbad.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ০৫:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় সংগীতশিল্পী পাগল হাসান নিহত-দোহারের সংবাদ সাভারে কাপড়ের দোকানে এসি বিস্ফোরণ, দগ্ধ ২-দোহারের সংবাদ ফরিদপুরে বাস ও পিকআপ সংঘর্ষে ১১ জন নিহত-দোহারের সংবাদ দোহারে রাতের আধারে বসতঘরে দুর্বৃত্তদের আগুন,১২ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই-দোহারের সংবাদ শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেছে আগামীকাল ঈদ-দোহারের সংবাদ নবাবগঞ্জে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার-দোহারের সংবাদ ঈদের তারিখ ঘোষণা করলো সৌদি আরব-দোহারের সংবাদ তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মারামারী,আহত ৭-দোহারের সংবাদ দোহারে এসএসসি-৯৫ ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থী, বন্ধুদের নিয়ে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত-দোহারের সংবাদ গরমের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে দোহার ও নবাবগঞ্জে লোডশেডিং-দোহারের সংবাদ

মহাকবি কায়কোবাদের আজ ১৬৭তম জন্মদিন-দোহারের সংবাদ

দোহারের সংবাদ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪
  • ৯৩ বার পঠিত

‘কে ওই শোনাল মোরে আযানের ধ্বনি’- লাইনটি শুনলেই বা পড়লেই মনে পরে যায় মহাকবি কায়কোবাদের কথা। অবশ্য কবির প্রকৃত নাম মুহাম্মদ কাজেম আল কোরেশী। তিনি ১৮৫৭ সালের ২৫ শে ফেব্রæয়ারি ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জের আগলা ইউনিয়নের অধীনে আগলা-পূর্বপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা ছিলেন ঢাকা জেলা জজ কোর্টের আইনজীবী শাহামাতুল্লাহ আল কোরেশী।

কায়কোবাদ সেন্ট গ্রেগরি স্কুলে অধ্যয়ন করেন। পিতার অকালমৃত্যুর পর তিনি ঢাকা মাদ্রাসাতে (বর্তমান কবি নজরুল সরকারি কলেজ) ভর্তি হন যেখানে তিনি প্রবেশিকা পরীক্ষা পর্যন্ত অধ্যয়ন করেছিলেন। কিন্তু তিনি পরীক্ষা না দিয়ে পোস্টমাস্টারের চাকরি নিয়ে স্থানীয় প্রামে ফিরে আসেন। সেখানেই তিনি অবসর গ্রহণের আগ পর্যন্ত কাজ করেছেন।বাংলা সাহিত্যে ব্যাপক অবদানের জন্য মহাকবি কায়কোবাদ সারা দেশের মানুষের কাছে সমাদৃত। তবে জন্মস্থান ঢাকার নবাবগঞ্জ এখনো অবহেলিত।

নিজ গ্রামে কবির স্মৃতিচিহ্ন বলতে তেমন কিছুই আর অবশিষ্ট নেই। জন্মস্থানে মহাকবির স্মৃতিচিহ্ন সংরক্ষণের উদ্যোগ নিচ্ছেন তা কেউ!

মাত্র তেরো বছর বয়সে তাঁর প্রথম কাব্য বিরহবিলাপ (১৮৭০) প্রকাশিত হয়। কায়কোবাদের মহাশ্মশান হচ্ছে মহাকাব্য। তৃতীয় পানিপথের যুদ্ধ অবলম্বনে রচিত এ কাব্যে জয়-পরাজয় অপেক্ষা ধ্বংসের ভয়াবহতা প্রকট হওয়ায় এর নাম হয়েছে ‘মহাশ্মশান’। এটি তাঁর শ্রেষ্ঠ রচনা যার কারনে তিনি মহাকবি রূপে খ্যাতি অর্জন করেন।তার বাড়ি প্রবেশের আগেই চোখে পরে মহাকবি কায়কোবাদের নামের বিদ্যালয়, তার পাশেই আছে কায়কোবাদ যে পোষ্ট অফিসে কাজ করতেন সেই পোষ্ট অফিসটি। পোষ্ট অফিসের কাজ চলমান থাকলেও নেই বিদুৎতের ব্যবস্থা।

কিছুদূর যেতেই চোখে পরে রাস্তার পাশেই একটি ভাঙ্গা ঘর। বর্তমানে অনেকে বলে এটিই কায়কোবাদের ঘর।মহাকবি কায়কোবাদ স্মৃতি সংসদের বিষ্ণুপদ সাহা বলেন, ‘কবি কায়কোবাদ নিজ এলাকায় কতটা অবহেলিত তাঁর এলাকায় না এলে কেউ বুঝতে পারবে না। সারা বাংলাদেশের মানুষ তাকে চিনে অথচ তার নামে একটা সড়কের নামকরণ করা হয়নি। মহাকবি কায়কোবাদের স্মৃতি বলতে কিছুই নেই। জনপ্রতিনিধি বা সরকারি উদ্যোগে মহাকবির স্মৃতি ধরে রাখতে নিজ এলাকায় পাঠাগার নির্মাণ করার দাবিও জানান তিনি। মহাকবি কায়কোবাদের আজ ১৬৭তম জন্মদিন-দোহারের সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা