সবজি বিক্রি করে পড়ালেখার খরচ যোগান মাস্টার্স পড়ুয়া হৃদয় বেপারী-দোহারের সংবাদ – দোহারের সংবাদ
  1. admin@doharersongbad.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১২:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দোহার নবাবগঞ্জের জন্য ৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে সালমান এফ রহমান নবাবগঞ্জে অবৈধভাবে মাটি কাটায় ৪ জনের কারাদন্ড-দোহারের সংবাদ ভূমধ্যসাগরে নৌকায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৯ জনের অধিকাংশই বাংলাদেশি-দোহারের সংবাদ মদ পানে কি ৪০ দিন শরীর নাপাক থাকে? দোহারের সংবাদ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় টিউলিপ চাঁষ ভিড় জমাচ্ছে দেখতে আসা দর্শনার্থীরা-দোহারের সংবাদ সাভারের কলমায় জুটের গোডাউনে আগুন-দোহারের সংবাদ আমিন আমিন ধ্বনিতে সমাপ্ত হ‌লো ইজ‌তেমার দ্বিতীয় প‌র্বের-দোহারের সংবাদ চলে গেলেন দর্শক নন্দিত অভিনেতা আহমেদ রুবেল-দোহারের সংবাদ দোহারে পদ্মায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করায় দায়ে ৩জনের কারাদণ্ড ও ২লক্ষ টাকা জরিমানা-দোহারের সংবাদ বৃষ্টি হতে পারে ৪ বিভাগে-দোহারের সংবাদ

সবজি বিক্রি করে পড়ালেখার খরচ যোগান মাস্টার্স পড়ুয়া হৃদয় বেপারী-দোহারের সংবাদ

দোহারের সংবাদ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ১৪৫ বার পঠিত

বানারীপাড়া পৌরশহরের বন্দর বাজারের রাস্তার ওপর ফুটপাতে প্রতিদিন শাকসবজি বিক্রি করেন যুবক হৃদয় বেপারী। সেই টাকায় নিজের মাস্টার্স পড়ার খরচ ও সংসারে সহযোগিতা করছেন তিনি। বরিশালের বানারীপাড়ার জীবন সংগ্রামী এক অদম্য যুবক হৃদয় বেপারী। গরিবের জীর্ণ কুটিরে হৃদয় যেন এক চাঁদের আলো। মাস্টার্সে অধ্যয়নরত হৃদয় চাকরির পেছনে ছুটে ক্লান্ত হয়ে অবশেষে বেছে নিয়েছেন সবজি বিক্রির কাজ।মেধাবী হৃদয় বানারীপাড়ার চাখার সরকারি ফজলুল হক কলেজ থেকে ব্যবস্থাপনায় অনার্স শেষ করে চাকরির জন্য অনেক ঘুরেও চাকরি পাননি। তাই লেখাপড়াসহ জীবিকার তাগিদে তিনি সবজি বিক্রি করছেন। বর্তমানে হৃদয় বরিশাল বিএম কলেজে মাস্টার্সে অধ্যয়নরত।

বানারীপাড়া বন্দর বাজারে গিয়ে দেখা যায়, হৃদয়ের সবজির দোকানে সর্ব সাকুল্যে ৭০০-৮০০ টাকার মালামাল রয়েছে। এটা বিক্রি করেই লভাংশ দিয়ে তিনি তার লেখাপড়ার খরচ ও সংসারে সহযোগিতা করছেন।তার দরিদ্র বাবা দেলোয়ার হোসেন বেপারীও একই বাজারের সবজি বিক্রেতা। তাদের বাড়ি বানারীপাড়া সদর ইউনিয়নের জম্বুদ্বীপ গ্রামে। বাবা-ছেলের এই সবজি ব্যবসায় যে সামান্য লাভ হয় তা দিয়ে তাদের সংসার চলে অনেক কষ্টে।

এ প্রসঙ্গে হৃদয় বেপারী বলেন, সৎভাবে কোনো কাজই ছোট নয়। সবজি বিক্রির এ কাজ করেই বাবা আমাকে অনার্স পাশ করিয়েছেন। এখনো স্বপ্ন দেখি চাকরি করে সংসারে সুখ-সচ্ছলতা আনার। দরিদ্র বাবা-মায়ের মুখে হাসি ফোটার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা