ইউএনওর বিদায়ে কাঁদলেন শতশত গ্রামবাসী-দোহারের সংবাদ – দোহারের সংবাদ
  1. admin@doharersongbad.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১২:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দোহার নবাবগঞ্জের জন্য ৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে সালমান এফ রহমান নবাবগঞ্জে অবৈধভাবে মাটি কাটায় ৪ জনের কারাদন্ড-দোহারের সংবাদ ভূমধ্যসাগরে নৌকায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৯ জনের অধিকাংশই বাংলাদেশি-দোহারের সংবাদ মদ পানে কি ৪০ দিন শরীর নাপাক থাকে? দোহারের সংবাদ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় টিউলিপ চাঁষ ভিড় জমাচ্ছে দেখতে আসা দর্শনার্থীরা-দোহারের সংবাদ সাভারের কলমায় জুটের গোডাউনে আগুন-দোহারের সংবাদ আমিন আমিন ধ্বনিতে সমাপ্ত হ‌লো ইজ‌তেমার দ্বিতীয় প‌র্বের-দোহারের সংবাদ চলে গেলেন দর্শক নন্দিত অভিনেতা আহমেদ রুবেল-দোহারের সংবাদ দোহারে পদ্মায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করায় দায়ে ৩জনের কারাদণ্ড ও ২লক্ষ টাকা জরিমানা-দোহারের সংবাদ বৃষ্টি হতে পারে ৪ বিভাগে-দোহারের সংবাদ

ইউএনওর বিদায়ে কাঁদলেন শতশত গ্রামবাসী-দোহারের সংবাদ

দোহারের সংবাদ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ১৫১ বার পঠিত

চাঁপাইনবাবগঞ্জের সবচেয়ে বড় উপজেলা শিবগঞ্জ। গতবছরের ১২ মে থেকে এ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন আবুল হায়াত। সম্প্রতি তাকে জয়পুরহাটের কালাই উপজেলায় বদলি করা হয়েছে।

উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা শামীম আলী। তিনি একজন প্রতিবন্ধী। ইউএনও আবুল হায়াত চলে যাচ্ছেন শুনে বিদায় জানাতে এসেছেন। তবে তিনি অবহেলিত হননি। ইউএনওকে জড়িয়ে ধরে কেঁদেছেন তিনি।শামীম আলী বলেন, ‘ইউএনও স্যার আমার মতো একজন প্রতিবন্ধীকে অনেক কিছুই দিয়েছেন। আমি যেকোনো সময় এসে তার কাছে মনের কথা বলতে পারতাম। এটি আমার কাছে অনেক।উপজেলার কানসাট ইউনিয়নের হঠাৎপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ভিক্ষুক জেন্টু মিয়া বলেন, ‘আমার জন্মের কিছুদিন পরই দুই পা কেটে ফেলার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। দুই পা হারিয়ে পথে-ঘাটে ভিক্ষা করে জীবিকা নির্বাহ করছিলাম। গত ১৭ অক্টোবর রাতে নিজের শেষ সম্বল ভিক্ষা করা ভ্যানটি বাড়ি থেকে চুরি হয়ে যায়। এতে অনেক ভেঙে পড়েছিলাম আমি। বন্ধ হয়ে যায় ভিক্ষাবৃত্তি। তবে ইউএনও স্যার আমার বিষয়টি জানতে পেরে আমাকে একটি নতুন ভ্যান কিনে দিয়েছেন। এখন আমি ফের চলাফেরা করতে পারছি। তাই ইউএনওকে শেষবারের মতো দেখতে এসেছিলাম।চককীর্তি ইউনিয়নের আল-মামুন বলেন, ‘আমার সংসার চলছিল না। ইউএনও স্যার আমাকে একটি দোকান করে দিয়েছেন। এ দোকান থেকেই আমার সংসার চলছে এখন। তাই শেষবারের মতো স্যারকে দেখতে এসেছি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন আব্দুল মজিদ, আব্দুল হামিদসহ কয়েকজন বীরমুক্তিযোদ্ধা। তারাও নিজেকে আটকে রাখতে পারেননি। ইউএনওকে জড়িয়ে ধরে কেঁদেছেন তারাও।

সদ্যবিদায়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবুল হায়াত বলেন, ‘আমি যেগুলো করেছি আমার দায়িত্ব মনে করেই করেছি। একজন ইউএনওর কাছে মানুষ কিছু প্রত্যাশা নিয়ে আসে। তাই তাদের কথা মন দিয়ে শুনে পাশে দাঁড়িয়েছি। এতেই আমি অনেক খশি।শিবগঞ্জ উপজেলায় নতুন নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্ব পেয়েছেন এএফএম আবু সুফিয়ান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা