পেট চালাতে দুই প্রকৌশলী খুললেন চায়ের দোকান-দোহারের সংবাদ – দোহারের সংবাদ
  1. admin@doharersongbad.com : admin :
শনিবার, ০১ এপ্রিল ২০২৩, ০৪:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দুইশত পরিবারে হাসি ফোটালো ১০ টাকার ইফতার বাজার-দোহারের সংবাদ পাপ মোচনে লাঙ্গলবন্দে আসছেন পুণ্যার্থীরা-দোহারের সংবাদ বাবাকে রক্ত দেয়ার ১২ঘন্টা পর ছেলের মৃত্যু-দোহারের সংবাদ দোহারে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত-দোহারে সংবাদ দোহারে ভেকু দিয়ে চলছে কৃষি জমির মাটি কাটার মহোৎসব-দোহারের সংবাদ আজ মহান স্বাধীনতা দিবস-দোহারের সংবাদ দেশবাসীকে স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী-দোহারের সংবাদ ৭০ বছরে এসে বিয়ে-দোহারের সংবাদ আজ ৩৯ হাজার ৩৬৫ পরিবার পাচ্ছে নতুন ঘর-দোহারের সংবাদ দোহারে ইকরাশী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত-দোহারের সংবাদ

পেট চালাতে দুই প্রকৌশলী খুললেন চায়ের দোকান-দোহারের সংবাদ

দোহারের সংবাদ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : সোমবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩
  • ১৯৪ বার পঠিত

‘বি.‌ টেক চাওয়ালা’। নতুন বছরের প্রথম দিন এ নামে চায়ের দোকান খুললেন ভারতে মালদার দুই প্রকৌশলী।স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইংরেজবাজার শহরের স্টেশন রোডে কানি মোড়ে ভাড়া নিয়ে দোকান খুলেছেন তারা। দোকান আর তার দুই মালিকের চা বিক্রির ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে।উত্তর ২৪ পরগনার হাওড়া স্টেশনের ‘এমএ ইংলিশ চায়েওয়ালি’, পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বরের ‘এমএ চাওয়ালার’ পর এবার ‘বি.‌ টেক চাওয়ালা’। সেই দোকানের মালিক মালদার আলমগীর খান ও রাহুল আলি।আলমগীর কালিয়াচকের থানা রোড ও রাহুল ইংরেজবাজার শহরের রেল কলোনির বাসিন্দা। দুজনেই মালদহে গনি খানের নামাঙ্কিত কারিগরি কলেজের ছাত্র ছিলেন।আলমগীর ২০১৭ সালে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে সার্টিফিকেট ও ডিপ্লোমা কোর্স করেন। ওই বছরই কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে সার্টিফিকেট ও ডিপ্লোমা কোর্স করেন রাহুল। তিনি আর পড়াশোনা না করলেও আলমগীর কলকাতার একটি বেসরকারি কারিগরি কলেজ (স্বামী বিবেকানন্দ ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনলজি) থেকে ২০২১ সালে বি টেক পাস করেন।তার বাবা শাহেনশা খান ঢালাই মেশিন (ছাদ ঢালাইয়ের কাজে ব্যবহৃত) ভাড়া দিয়ে পাঁচ ছেলেমেয়েকে নিয়ে সংসার চালাচ্ছেন। আলমগীর তার বড় ছেলে। রাহুলের বাবা মনসুর আলি পেশায় ট্যাক্সি চালক।দোকানের এমন নাম কেন? আলমগীর বলেন, গুজরাটের একটি সংস্থায় কলেজের ক্যাম্পাস-ইন্টারভিউয়ের মাধ্যমে চাকরি মিলেছিল। তবে ১৫ হাজার টাকার বেশি ওই সংস্থা দিতে রাজি হয়নি। এখন ২৭ বছর বয়স হয়ে গেছে। চাকরির আশায় বসে থাকলে, বয়স থেমে থাকছে না। কিছু করার জন্য চায়ের দোকান খুলেছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা