১৪টি নয়, যুক্তরাষ্ট্রে স্ত্রীর নামে একটি বাড়ি আছে : তাকসিম এ খান-দোহারের সংবাদ – দোহারের সংবাদ
  1. admin@doharersongbad.com : admin :
মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ১১:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দোহারে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে: আটক ৭-দোহারের সংবাদ নবাবগঞ্জে শিশু হত্যার ঘটনায় মা ও ছেলে আটক-দোহারের সংবাদ দোহারে বিদ্যালয়ে ক্লাস চলাকালীন সময়ে মারপিটের ঘটনায় রাহিম কমিশনার গ্রেপ্তার-দোহারের সংবাদ দোহারে বেকারীতে অভিযান ২ লক্ষ টাকা জরিমানা-দোহারের সংবাদ চোরের ভয়ে মোটরসাইকেলে হ্যান্ডকাপ পুলিশের! দোহারের সংবাদ দোহারে কোঠাবাড়ির চক থেকে বৃদ্ধের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার-দোহারের সংবাদ সারাদেশে বৃষ্টি কবে হতে পারে, জানাল আবহাওয়া অফিস-দোহারের সংবাদ দোহারে সাংবাদিকের উপর সন্ত্রাসী হামলা-দোহারের সংবাদ নবাবগঞ্জে গরু ডাকাতির ঘটনায় আটক-৬-দোহারের সংবাদ দোহারে মৃতপ্রায় ও রোগাক্রান্ত গরুর মাংস বিক্রির দায়ে ৩ জনের জেল-দোহারের সংবাদ

১৪টি নয়, যুক্তরাষ্ট্রে স্ত্রীর নামে একটি বাড়ি আছে : তাকসিম এ খান-দোহারের সংবাদ

দোহারের সংবাদ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ১০ জানুয়ারি, ২০২৩
  • ৩৬৮ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক : যুক্তরাষ্ট্রে ১৪টি বাড়ি কেনার অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রকৌশলী তাকসিম এ খান বলেন, ‌যুক্তরাষ্ট্রে ১৪টি বাড়ি কেনার বিষয়ে যে প্রতিবেদন এসেছে তা ডাহা মিথ্যা। এর কোনো সত্যতা নেই। এই ১৪টি বাড়ির মধ্যে শুধুমাত্র একটি বাড়ি আমার স্ত্রীর নামে কেনা। বাকি কোনোটিই আমার বা আমার পরিবারের কারও নয়।

মঙ্গলবার কারওয়ান বাজার ওয়াসা ভবনের নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

তাকসিম এ খান বলেন, যে ১৪টি বাড়ির কথা বলা হয়েছে তার মধ্যে ৫টি বাড়িতে আমার পরিবার বিভিন্ন সময় ভাড়া থেকেছেন। আর একটি বাড়ি আমার স্ত্রীর নামে। আমি, আমার স্ত্রী, সন্তান সবাই যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক।

তিনি বলেন, আমার স্ত্রী-সন্তান সেখানে ওয়েল স্টাবলিস্ট, তাই সেখানে একটি বাড়ি কেনা খুব অসুবিধার কিছু নেই। আমার স্ত্রীর নামেই ওই একটা বাড়ি আছে। সেটাকেও বাড়ি বলা যাবে না, এটা একটা অ্যাপার্টমেন্ট।

ওয়াসার এমডি বলেন, বিভিন্ন সময় আমাকে নিয়ে এমন নানান রিপোর্ট এসেছে। কিন্তু এগুলো সব মিথ্যা তা ইতোমধ্যে প্রমাণিত হয়েছে। কাজেই এগুলো পুরোটাই অসত্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। যারা ওয়াসা থেকে অনৈতিক সুবিধা পায়নি বা পাচ্ছে না তারাই মূলত এসব করিয়ে থাকে।

তাকসিম এ খান বলেন, আমি এবং আমার পরিবারের সবাই যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। আমি সেখান থেকেই ওয়াসায় চাকরি করতে এসেছি। এমন নয় যে এখানে চাকরি করে আমার সম্পদ ওখানে গড়েছি। আমার স্ত্রী সেখানে সরকারি চাকরি করে। আমার সন্তানও সেখানে খুব ভালোমানের চাকরি করে। আমি যে ইনকাম করি তা থেকে ওদেরকে কিছুই দিতে হয় না। তারা ওখানে অনেক ভালো আছে; যে কারণে আমার স্ত্রীর নামে একটি অ্যাপার্টমেন্ট থাকা অস্বাভাবিক কিছুই না। তবে রিপোর্টে যে ১৪টি বাড়ির কথা বলা হয়েছে তা পুরোপুরি অসত্য। এরমধ্যে ৫টি বাসার যে ঠিকানা দেওয়া হয়েছে সেগুলোতে আমার পরিবার বিভিন্ন সময় ভাড়া থেকেছে। কিন্তু ডাহা মিথ্যা একটি রিপোর্ট প্রকাশ করে দেওয়া হলো।

আমার ছেলেও একসময় সেখানে একটি বাড়ি ভাড়া নিয়েছিল কিন্তু তা অনেক আগেই ছেড়ে দিয়েছে। সেখানে অভিভাবক হিসেবে আমার নাম আছে। এই নামগুলো ইন্টারনেট থেকে নিয়ে আমার বিরুদ্ধে এমন প্রতিবেদন করা হয়েছে, বলেন তাকসিম এ খান।

‘ওয়াসার তাকসিমের যুক্তরাষ্ট্রে ১৪ বাড়ি!’ শিরোনামে সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিকে খবর প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রকৌশলী তাকসিম এ খান যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক শহরে কিনেছেন এসব বাড়ি। সব বাড়ির দাম টাকার অঙ্কে হাজার কোটি ছাড়াবে। দেশ থেকে অর্থপাচার করে তিনি এসব বাড়ির মালিক হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বাড়ি কেনার অর্থের উৎস ও লেনদেন প্রক্রিয়ার তথ্য তালাশে নেমেছে ইন্টারপোলসহ একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা। বিপুল পরিমাণ অর্থে একের পর এক বাড়ি কেনার ঘটনায় দেশটির গোয়েন্দা তালিকায় সন্দেহভাজন হিসেবে তাকসিমের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।’

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রে ১৪ বাড়ি কেনা এবং অর্থ পাচারকারী হিসেবে আন্তর্জাতিক গোয়েন্দা সংস্থার তালিকায় তাকসিম খানের নাম থাকা নিয়ে সম্প্রতি দুটি অভিযোগ জমা পড়ে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক)। অভিযোগে কিছু বাড়ির সুনির্দিষ্ট ঠিকানা, ছবি, কোন বাড়ি কখন, কত টাকায় কেনা, তা উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে, ওয়াসার এমডির যুক্তরাষ্ট্রে ১৪টি বাড়ি কেনার বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) দাখিল করা দুটি অভিযোগের অনুসন্ধানের অগ্রগতি জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট। দুর্নীতি দমন কমিশনকে ১৫ দিনের মধ্যে এ বিষয়ে জানাতে বলেছেন আদালত।

সোমবার এ বিষয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন নজরে নিয়ে বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ মৌখিকভাবে এ আদেশ দেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা