একজন শিক্ষক দিয়ে চলে পুরো স্কুল – দোহারের সংবাদ
  1. admin@doharersongbad.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০১:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দোহার নবাবগঞ্জের জন্য ৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে সালমান এফ রহমান নবাবগঞ্জে অবৈধভাবে মাটি কাটায় ৪ জনের কারাদন্ড-দোহারের সংবাদ ভূমধ্যসাগরে নৌকায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৯ জনের অধিকাংশই বাংলাদেশি-দোহারের সংবাদ মদ পানে কি ৪০ দিন শরীর নাপাক থাকে? দোহারের সংবাদ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় টিউলিপ চাঁষ ভিড় জমাচ্ছে দেখতে আসা দর্শনার্থীরা-দোহারের সংবাদ সাভারের কলমায় জুটের গোডাউনে আগুন-দোহারের সংবাদ আমিন আমিন ধ্বনিতে সমাপ্ত হ‌লো ইজ‌তেমার দ্বিতীয় প‌র্বের-দোহারের সংবাদ চলে গেলেন দর্শক নন্দিত অভিনেতা আহমেদ রুবেল-দোহারের সংবাদ দোহারে পদ্মায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করায় দায়ে ৩জনের কারাদণ্ড ও ২লক্ষ টাকা জরিমানা-দোহারের সংবাদ বৃষ্টি হতে পারে ৪ বিভাগে-দোহারের সংবাদ

একজন শিক্ষক দিয়ে চলে পুরো স্কুল

দোহারের সংবাদ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : রবিবার, ৭ আগস্ট, ২০২২
  • ৮৭ বার পঠিত

কুড়িগ্রামের চিলমারীর একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাত্র একজন শিক্ষক দিয়ে চলছে সব শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পাঠদান। ফলে অর্ধেক শিক্ষার্থীই চলে গেছে অন্য প্রতিষ্ঠানে। গত দু’বছর ধরে প্রতিষ্ঠানটির এই বেহাল অবস্থা থাকলেও কোনো পদক্ষেপ নেয়নি উপজেলা শিক্ষা অফিস।

একজন শিক্ষক দিয়ে চলছে পুরো স্কুলের পাঠদান। এতে চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম। উপজেলার অষ্টমীর চর ইউনিয়নের ডাটিয়ার চর গ্রামের নটারকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টিতে গিয়ে এমন চিত্রই দেখা গেছে।খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নটরকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ১৯৯১ সালে ব্রহ্মপূত্র নদের নটরকান্দি গ্রামে প্রতিষ্ঠিত হয়। পরে নদী ভাঙনের শিকার হয়ে ১৯৯৮ সালে স্কুলটি ডাটিয়ার চর গ্রামে পুনর্নির্মাণ করা হয়। ২০১৩ সালে জাতীয়করণের সময় ৫ জন শিক্ষক নিয়ে পাঠদান কার্যক্রম শুরু হলেও পর্যায়ক্রমে ২০২০ সাল পর্যন্ত ৪ জন শিক্ষক অবসরে যান। এরপর আর কোনো শিক্ষক নিয়োগ হয়নি।

স্কুলের হাজিরা খাতা অনুযায়ী বিদ্যালয়টির মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৮৭ জন। বৃহস্পতিবার (৪ আগস্ট) স্কুলের সব ক্লাস মিলে উপস্থিত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৭৭ জন। একমাত্র শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোছা. রোজিনা খাতুন।শিক্ষক রোজিনা খাতুন জানান, প্রধান শিক্ষক মো. আমজাদ হোসেন ২০২০ সালে অবসরে যান। এরপর একই বছরে আরো ৩ জন সহকারী শিক্ষক অবসরে গেলে আমি ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করি। গত দু’বছর ধরে আমার একার পক্ষে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করা খুবই কষ্টকর হয়ে যাচ্ছে। এজন্য জরুরি ভিত্তিতে ৫টি শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া জরুরি হয়ে পড়েছে।অভিভাবক রহমত আলী ও স্থানীয় অধিবাসী জহুরুল ইসলাম ও জব্বার আলী জানান, এডহক কমিটির আহ্বায়ক হয়েও এই স্কুলে একবারও ভিজিটে আসেননি চিলমারী উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার একেএম জাকির হোসেন। তার অবহেলার কারণে স্কুলটির শিক্ষা কার্যক্রম এখন ধ্বংসের পথে। শূন্যপদে চরাঞ্চলে শিক্ষিত ছেলে-মেয়েদের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়ারও দাবি জানান তারা।

যোগদানের পর স্কুল ভিজিট না করার কথা স্বীকার করে চিলমারী উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার একেএম জাকির হোসেন বলেন, আমি চলতি বছরের জানুয়ারি মাসের শেষের দিকে উপজেলায় যোগদান করেছি। নানান ব্যস্ততার কারণে স্কুল পরিদর্শন করা সম্ভব হয়নি। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে রয়েছে। দ্রুত শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে।

এ ব্যাপারে চিলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাহবুবুর রহমান জানান, জেলা উন্নয়ন কমিটির সভায় বিষয়টি আমার নজরে আসে। এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক আমাদেরকে নির্দেশনা দিয়েছেন। সে অনুযায়ী খণ্ডকালীন ২-৩ জন শিক্ষক নিয়োগ হবে। যাদের বেতন উপজেলা প্রশাসন থেকে ব্যয় করা হবে। পরবর্তীতে শিক্ষক নিয়োগ হলে স্কুলটির এই সমস্যা আর থাকবে না।ছবি সংগৃহীত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা