কৌতুক অভিনেতা দিলদারের আজ ১৯তম মৃত্যুবার্ষিকী – দোহারের সংবাদ
  1. admin@doharersongbad.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ০৫:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় সংগীতশিল্পী পাগল হাসান নিহত-দোহারের সংবাদ সাভারে কাপড়ের দোকানে এসি বিস্ফোরণ, দগ্ধ ২-দোহারের সংবাদ ফরিদপুরে বাস ও পিকআপ সংঘর্ষে ১১ জন নিহত-দোহারের সংবাদ দোহারে রাতের আধারে বসতঘরে দুর্বৃত্তদের আগুন,১২ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই-দোহারের সংবাদ শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেছে আগামীকাল ঈদ-দোহারের সংবাদ নবাবগঞ্জে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার-দোহারের সংবাদ ঈদের তারিখ ঘোষণা করলো সৌদি আরব-দোহারের সংবাদ তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মারামারী,আহত ৭-দোহারের সংবাদ দোহারে এসএসসি-৯৫ ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থী, বন্ধুদের নিয়ে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত-দোহারের সংবাদ গরমের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে দোহার ও নবাবগঞ্জে লোডশেডিং-দোহারের সংবাদ

কৌতুক অভিনেতা দিলদারের আজ ১৯তম মৃত্যুবার্ষিকী

দোহারের সংবাদ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : বুধবার, ১৩ জুলাই, ২০২২
  • ৯৯ বার পঠিত

আজ ১৩ জুলাই দিলদারের মৃত্যুবার্ষিকী। ২০০৩ সালের এই দিনে ৫৮ বছর বয়সে তিনি জীবনের মায়া কাটিয়ে চিরদিনের মতো পৃথিবী ত্যাগ করেন।

দেখতে দেখতে কেটে গেল ১৯টি বছর, দিলদার নেই। তবে তিনি থেকে গেছেন অসংখ্য চলচ্চিত্রে তার দুর্দান্ত অভিনয়ে; কৌতুক অভিনয়ের কিংবদন্তি হয়ে।১৯৪৫ সালের ১৩ জানুয়ারি চাঁদপুরে জন্মগ্রহণ করেন দিলদার। তিনি এসএসসি পাস করার পর পড়াশোনার ইতি টানেন। ১৯৭২ সালে ‘কেন এমন হয়’ নামের চলচ্চিত্র দিয়ে অভিনয় জীবন শুরু করেন। আর পেছনে ফিরে তাকাননি তিনি। অভিনয় করেছেন ‘বেদের মেয়ে জোসনা’ ‘বিক্ষোভ’, ‘অন্তরে অন্তরে’, ‘কন্যাদান’, ‘চাওয়া থেকে পাওয়া’, ‘সুন্দর আলীর জীবন সংসার’, ‘স্বপ্নের নায়ক’, ‘আনন্দ অশ্রু’, ‘শান্ত কেন মাস্তান’সহ অসংখ্য জনপ্রিয় সব চলচ্চিত্রে।

দিলদারের জনপ্রিয়তা এতটাই তুঙ্গে ছিল যে, তাকে নায়ক করে নির্মাণ হয়েছিল ‘আব্দুল্লাহ’ নামে একটি চলচ্চিত্র। নূতনের বিপরীতে এই ছবিতে বাজিমাত করেছিলেন তিনি। দারুণ জনপ্রিয়তা পেয়েছিলো ছবিতে ঠাঁই পাওয়া গানগুলো।সেরা কৌতুক অভিনেতা হিসেবে ২০০৩ সালে ‘তুমি শুধু আমার’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের সুবাদে তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও লাভ করেন। ভাগ্যের পরিহাস, সে বছরই মৃত্যু বরণ।করেন তিনি। বাংলা সিনেমার দর্শক বঞ্চিত হয়েছে তার প্রাণ জুড়ানো অভিনয় থেকে। তার মৃত্যুর পর আরও অনেক কৌতুক অভিনেতাই এসেছেন, আবার সময়ের স্রোতে হারিয়েও গেছেন। কিন্তু কেউই দিলদারের অভাব পূরণ করতে পারেননি।

তার হাঁটা-চলা, বাচন ভঙ্গি, অভিনয়ের সাবলীলতার পরতে পরতে থাকতো আনন্দের ছড়াছড়ি। তাই দুঃখ-সংগ্রাম পেরিয়ে শেষ দৃশ্যে দিলদারের সংলাপ দিয়েই সিনেমার শেষ হওয়াটা স্বাভাবিক ব্যাপারে পরিণত হয়েছিল। আশি-নব্বই দশকের চলচ্চিত্রে তিনি আর কৌতুক হয়ে ওঠেছিল সমার্থক। তথ্য ও ছবি সংগৃহীত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা