পাগলা মসজিদে ১৬ বস্তা ভর্তি টাকা – দোহারের সংবাদ
  1. admin@doharersongbad.com : admin :
শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪, ০৮:১২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দোহারে চোরাই স্বর্ণালংকারসহ চোর আটক-দোহারের সংবাদ নওগাঁয় ২০০ বছরের পুরনো মসজিদের সন্ধানলাভ-দোহারের সংবাদ বাবাকে গলা কেটে হত্যা করলো ছেলে-দোহারের সংবাদ দোহারে চেতনানাশক খাইয়ে অটোগাড়ি চুরি-দোহারের সংবাদ মহাকবি কায়কোবাদের আজ ১৬৭তম জন্মদিন-দোহারের সংবাদ মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় স্বামীর হাতে স্ত্রী খুন-দোহারের সংবাদ টঙ্গীতে বহুল আলোচিত কিশোর গ্যাং লিডার মাইদুলকে গ্রেফতার-দোহারের সংবাদ নবাবগঞ্জে দুই কেজি গাঁজাসহ আটক ২-দোহারের সংবাদ আগুন ঝরা ফাগুনে আমের মুকুল সর্বত্র ছড়াচ্ছে স্বর্ণালী আভা-দোহারের সংবাদ হাত নেই,পা দিয়ে এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে সিয়াম-দোহারের সংবাদ

পাগলা মসজিদে ১৬ বস্তা ভর্তি টাকা

দোহারের সংবাদ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : রবিবার, ৩ জুলাই, ২০২২
  • ৯১ বার পঠিত

কিশোরগঞ্জ শহরের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের আটটি লোহার দানবাক্স ৩ মাস ২০ দিন পর শনিবার আবারও খোলা হয়েছে। এ সময় সিন্দুকগুলো থেকে ১৬ বস্তা টাকা পাওয়া গেছে। টাকা গণনার কাজে রুপালি ব্যাংকের এজিএম ও অন্যান্য কর্মকর্তা, ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য এবং মসজিদ কমপ্লেক্সে অবস্থিত মাদরাসা ও এতিমখানার শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা অংশ নিয়েছেন।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা আইসিটি) মো. গোলাম মোস্তফা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, প্রতি তিন মাস পর পর দানবাক্সগুলো খোলা হয়। এবার ৩ মাস ২০ দিন পর সেগুলো খুলে ১৬ বস্তা টাকা পাওয়া গেছে।

মসজিদ পরিচালনা কমিটি সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকাল ৮টায় জেলা প্রশাসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে মসজিদের আটটি দান সিন্দুক খোলা হয়েছে। দান সিন্দুকগুলো খুলে ১৬টি বস্তায় টাকাগুলো আনা হয়েছে গণনার জন্য। এখন চলছে টাকা গণনার কাজ। এর আগে সর্বশেষ ১২ মার্চ দানবাক্সগুলো খোলা হয়েছিল। তখন রেকর্ড ৩ কোটি ৭৮ লাখ ৫৩ হাজার ২৯৫ টাকা এবং বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালঙ্কার পাওয়া গিয়েছিল।

মসজিদের খতিব, এলাকাবাসী ও দূর-দূরান্ত থেকে আসা লোকজন সূত্রে জানা যায়, এই মসজিদে মানত করলে মনের আশা পূর্ণ হয়। এমন ধারণা থেকে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই এখানে দান করে থাকেন।

সূত্রমতে, এক সময় এক আধ্যাত্মিক পাগল সাধকের বাস ছিল কিশোরগঞ্জ শহরের হারুয়া ও রাখুয়াইল এলাকার মাঝপথে প্রবাহিত নরসুন্দা নদের মধ্যবর্তী স্থানে জেগে ওঠা উঁচু টিলাকৃতির স্থানটিতে। মুসলিম-হিন্দু নির্বিশেষে সব ধর্মের লোকজনের যাতায়াত ছিল ওই সাধকের আস্তানায়। ওই পাগল সাধকের দেহাবসানের পর তার উপাসনালয়টিকে কামেল পাগল পীরের মসজিদ হিসেবে ব্যবহার শুরু করে এলাকাবাসী।

কিন্তু ওই সাধকের দেহাবসানের পর থেকে আশ্চর্যজনকভাবে এলাকা এমনকি দেশের দূর-দূরান্তের লোকজনের ভিড় বাড়তে থাকে। মানত কিংবা দান খয়রাত করলে মনোবাসনা পূরণ হয় এমন বিশ্বাস থেকে বিভিন্ন বয়সের হিন্দু-মুসলিমসহ বিভিন্ন ধর্ম-বর্ণের নারী-পুরুষ মানত নিয়ে আসেন এই মসজিদে। তারা নগদ টাকা-পয়সা, স্বর্ণ ও রুপার অলঙ্কারের পাশাপাশি গরু, ছাগল, হাঁস-মুরগি দান করেন।

বিশেষ করে প্রতি শুক্রবার এ মসজিদে মানত নিয়ে আসা বিভিন্ন বয়সের নারী-পুরুষের ঢল নামে। আগতদের মধ্যে মুসলিমদের অধিকাংশই জুমার নামাজ আদায় করেন মসজিদে। আর এ ইতিহাস প্রায় আড়াইশ বছরেরও অধিক সময়ের বলে জানা যায়

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা